
সময়ের দশচক্রে সব ফিকে হতে বসে। মিথ্যে হয় তিনসত্যি গুলো। কর্পোরেট বা সোসাইটিকে গাল দিয়ে দায় ঝেড়ে ফেলা আমার-আপনার ইমোশন গুলোই আসলে মেকি। সেটা মানতে না পারার সবচেয়ে বড় স্টেটমেন্ট – “ওসব গল্পেই হয়!” তারপর? তারপর বহু যুগের ওপারে একদিন কোন সিনেমার দুটো দৃশ্য বা উপন্যাসের একটা গোটা পর্ব যখন আপনার হৃদয়ের এপিটাফে লুকোনো ভাঙা ক্রেয়নের টানে আঁকা রঙিন স্বপ্নগুলো সামনে এনে ফেলে, তখন আপনার কাছে মূলমন্ত্র হয় – “সবই কপাল”। নচেৎ, ওসব সিনেমাতেই সম্ভব বলে খবরের কাগজে মুখ লুকোন, ইয়ে মানে ব্যার্থতা লুকোন আর কি।
বয়স, এক কুড়ি বা তার বেশিই কিছুটা হওয়ায় এটা ফিল করি যে প্যাশনটা ফলো করতে শুধু ফাটে না, বলা ভালো ফেটে চৌচির হয়ে যায়। তবু দিনের শেষে আয়নার সামনে কেত মেরে দাঁড়াতে গেলে শিরদাঁড়াটা বেশ টানটান থাকে। বস, ইটস আপটু ইউ, যে ভাঙা ক্রেয়নে আঁকা স্বপ্ন গুলো আপনার জীবনের ছায়াছবি করবেন না দিনের শেষে অডি আর বিএমডব্লিউ হাঁকিয়ে খবরের কাগজে মুখ লুকোবেন। ভালোবেসে যার হাতটা ধরেছেন, সেটা শক্ত করে ধরে রাখুন, লোকে কি বলবে সেটা ভাবতে বসলে, জীবনের প্রিয় গান – “সব পেলে নষ্ট জীবন” হয়ে যাবে। ম্যাপল আর বুনো ফুলের আদর চিরন্তন, রাঙতা কাগজটা কাঁচের বাক্সেই ভালো লাগে। আমিতো প্রথমটায় বিশ্বাসী, দেখা যাক এই ছায়াছবি ডিডিএলজে হয় না রদ্দি মার্কা ডেইলি সোপ…
ক্রেয়নে – Sreyashi Paul