পেয়ার তুমহে কিতনা করতে হ্যাঁয়, তুম ইয়ে সমহয নেহি পাওগে!

সেদিনও বৃষ্টি, এদিনও বৃষ্টি! বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে শহরের ঋতুবাহার ছয় থেকে চারে পৌঁছেছে। তবে শান্তিনিকেতনে এখনও সংখ্যাটা চারে নামেনি, কাগজ, পাতাবাহার আর পলাশ ভীষণ ভাবে জানান দেয় বসন্তের। সে বসন্ত ভীষণ রঙিন, মনে এবং প্রাণে! তবে ঋতুবাহারের কালচক্রে বর্ষা ভীষণ মনকেমন করা সেখানে। বসন্ত বর্তমান হলে বর্ষা ভীষণভাবে প্রাক্তন সেখানে। রাস্তা পাড়ের টিমটিমে আলোয় চোখ রাখলে মনের ব্যাকগ্রাউন্ডে “চলে যাবে হাওয়া ঝোড়ো, সময় ছিল আমাদেরও” বেজে ওঠে। সুরের মূর্ছনায় আবীর রঙা সন্ধ্যা মনের মাঝে সাত রঙের দোলা লাগায়, আবার বৃষ্টিস্নাত রাত গুলো প্রেমিকার কোলের মতই শান্ত, স্নিগ্ধতায় মোড়া!

খাতায় কলমে সদ্য প্রাক্তন হওয়া মনে দিনভর হাজারো স্মৃতি ভীড় করে আসছিল, তাতে প্রলেপ লাগাতেই বুঝি আজকের এই বৃষ্টি! কালের নিয়মে সবকিছুই ছাড়তে হয় একদিন, থেকে যায় মুহূর্ত আর “আসছি” গুলো। ফেরা হবেনা জেনেও আমরা শেষ শব্দটার ব্যবহার করে থাকি, মনের অগোচরে হয়ত নিজেকেই শান্তনা দিই। আর তারপর এমনই এক মন খারাপের রাতে সঙ্গী হয় বৃষ্টি, চঞ্চল চিত্তে এঁকে দেয় এক আকাশ চুম্বন। একাকার হয়ে যায় সময়ের টাইমলাইন গুলো! ঠিক যেমনটা আজ হল।

কোপাই, খোয়াই, বন্ধুবিকেল, লাস্ট কাউন্টার নিয়ে অনেক লিখি, লিখেছি, মেলার মাঠের সেই গাছটার আশ্রয়ে চুপটি করে দাঁড়ানো, বৃষ্টি বিকেলের ফটোসেশান, পূর্ব পল্লীর রাস্তায় জলকেলি, ভিজে কাক হওয়া সন্ধ্যে আর বিবেক দা’র চা সবটার জন্যে একটা পাতা বরাদ্দ করা ভীষণ ভাবে প্রয়োজন ছিল!

Leave a comment