ছবিটা দেখবার আগে ‘জামানা লাগে’ গানটা গুটিকয়েক বার এদিক সেদিক রিল টিলে শুনেছিলাম নিশ্চয়ই, তবে বাকিগুলো একেবারেই নয়।
ছবিটা নিয়ে নস্টালজিয়া, অনুরাগ বসুর স্টোরিটেলিং এসব দেখতেই মূলত রূপোলী পর্দার সামনে বসা। ছবি জুড়ে হতে থাকা শত সহস্র ঘনঘটার রেশ আর অনেকটা মিশ্র অনুভূতি নিয়ে হল থেকে বেরোই। কানে ইয়ারফোন, বৃষ্টিমুখর সন্ধ্যে আর ট্রেন জার্নি…
অবচেতনে অচিরেই শ্রেয়ার গলায় “লাগ রহা হ্যায় কায়দে সে ইউ মহব্বত হুয়ি হ্যায় মুঝে” কিংবা “আগর কঁহি তুমহে রুলায়া, কাঁহা মুঝে ভি চ্যায়ন আয়া, আসল ম্যায় দিল নেহি তুমহারা, খুদ হি কা হ্যাঁয় দুখায়া”
যোগ্য সঙ্গতে “তুমহারে স্যাহর কা মউসম বড়া সুহানা লাগে, ম্যায় এক সাম চুরালু আগর তুমহে বুরা না লাগে…”
একই কন্ঠে একদিকে প্রেমের অমন আকুলতা, তো অন্যদিকে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে প্রেমের ইস্তেহার “তু ইসস তরহা মুঝসে বেওয়াফাই কর, কি তেরে বাদ মুঝে কোয়ি ওয়াফা না লাগে”
কি মায়াবী, কি ভীষণ মন কেমন করা! বলিউডি প্লেব্যাকের মরু সাহারায় যেন ‘রিম ঝিম গিরে সাওয়ান’।

ছবির ভালোলাগা মন্দলাগা, সেসব তর্ক-আলোচনা ভিডিওয় করবো নাহয়। ‘মেট্রো ইন দিনো’র অ্যালবামটা বহু, বহু দিন মনে রাখার মতন। ‘লাইফ ইন আ মেট্রো’ আমাদের জেনারেশনের আবেগ, তাতে ভর করে তুলনায় গেলে সবই ফিকে লাগবে। তবে শেষ কিছুদিন লুপে শুনতে থাকা চারটে গান, ‘দিল কা কেয়া’, ‘অউর কিতনি মহব্বত কঁরু’, ‘কায়দে সে’, আর ‘জমানা লাগে’তে ভীষণ রকম বাঁধা পড়েছি। এ ঘোর যেন সত্যি-ই কাটেনা…