বিশের বরষ

এ এক অদ্ভুত সময়! স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে এসেছি প্রায় বছর ছয়। এই বিশের বরষ যতই বাড়ে ম্যাচুরিটি নামক শব্দটাও ভীষণ পেয়ে বসে সবটাতে। এটা কোরোনা ওটা কোরোনা কেউ বলেনা আজ, নিজেরই একটা সত্বা বরং সবসময় বলে ওঠে – “নাঃ এ বয়সে আর তোকে ওসব মানায় না”। বড় হবার নামে নিজের মনটাকে বুড়ো করতে লেগে পড়ি আমরা, যে যত সংযত সে তত বেশী ম্যাচিওর।

আর এসবের মাঝেই হঠাৎ একদিন বৃষ্টি ভেজা দুপুর গুলো আসে কিংবা আসে কিছু সিনেমা, বলে যায় খুব খুব চেনা গল্পগুলো। যা জাস্ট এক পলকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় সেই চেনা আমিটাতে। আর ওসব সিউডো ম্যাচিওরিটি ঝেড়ে ফেলে মুহূর্তে আমি যেন স্কুলের ক্যাবলা আমিটাতে ফিরে যাই। অকারণ হরষে ক্ষণিকের জন্যই সই, তখন ওই বোকামি আমায় ভীষণ ভীষণ মানায়। হারিয়ে যাওয়া আমার এফএম বা ওয়েব মিউজিকের দুনিয়ায় ভেসে বেড়াতে ইচ্ছে করে আর ইচ্ছে করে যে মানুষগুলোকে জড়িয়ে সেই বেলাগুলো কেটেছিল তাদের হাত ধরে আবার হারাতে আলবেলা বিকেলের ১১ টাকার এসএমএস প্যাক-এ। তাল নবমীর গল্প কিংবা হগওয়ার্টসে ফেরার এই ইচ্ছের মাঝেই হঠাৎ বেজে ওঠে – ” আজও আছে গোপন, ফেরারী মন..”

আর তারপর?

নতুন অ্যাসাইনমেন্টের ফিরিস্তি মেটাতে কিবোর্ডের টকাটক শব্দ, আর নাহয় – লাইট ক্যামেরা অ্যান্ড অ্যাকশন!

2 thoughts on “বিশের বরষ

  1. ঠিক বলেছিস ম্যাচিওর হওয়ার তাগিদে আমরা কেমন হয়ে যাচ্ছি।। সুন্দর হয়েছে লেখাটা।। চলতে থাক albi’র কলম।।

    Liked by 1 person

Leave a reply to Albi's blog Cancel reply