
‘যব যরুরত পারেগী তব ঘর্ সে বুলায়েঙ্গে!”
আজ থেকে প্রায় এক মাস আগেও কে বলতে পারত যে এই উক্তিটাই এমন রূপকথার বাস্তবে পরিণত হবে।
টিম ৩৬ এ প্যাভিলিয়নে, ট্রফি রিটেন করতে এসে প্রথম ম্যাচে অমন হিউমিলিয়েশন (স্কোর কার্ড দেখলে ইন্টারস্কুল গেম এর স্কোর ছাড়া কিচ্ছু মনে হবেনা) শামি চোট নিয়ে সিরিজের বাইরে।
কথা উঠতে থাকলো প্লেয়ারদের ক্যাপাবিলিটি, রেসপন্সিবিলিটি নিয়ে, বারে বারে ফিরে আসতে থাকলো দ্রাবিড়, লক্ষনদের নাম।
দেশে ফিরলেন ক্যাপ্টেন!
নতুন ম্যাচ, অধিনায়কের ব্যাটন হাতে জিঙ্কস। গিল আর সিরাজ ভরসা যোগালেন ডেবিউটান্ট হিসেবে। কাম কম্পোজড্ সেঞ্চুরী এল অধিনায়কের ব্যাট থেকে। যাদুদন্ডের ব্যবহারে বোলিং লাইন আপ সহ পুরো টিমের মাইন্ড সেটআপ যেন কেউ বদলে দিয়েছে। ম্যাচ জিতে সিরিজে কামব্যাক, তবে সিরিজের বাইরে আরেক সিনিয়র উমেশ যাদব।
তৃতীয় ম্যাচে ” ভারত শুধু টি টোয়েন্টিই খেলতে পারে” তকমা ঘুচলো হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট আর পিঠে ব্যাথা নিয়ে হনুমা-অশ্বিনের ২৬২ বল খেলে যাওয়া আর কনুইয়ে চোট নিয়ে পান্থের অ্যাটাকিং ৯০, আর জাদেজার অলরাউন্ড পারফরমেন্স। কথা উঠলো – “Bihari (হ্যাঁ, মাননীয় তা-ই বলেছিলেন) murdered the game”
চতুর্থ ম্যাচ গাবায়, ‘৪৭ থেকে ভারত জেতেনি কোনোদিন, অস্ট্রেলিয়া শেষ কবে হেরেছিল জানতে হবে গুগল করতে হয়। সাথে স্কোয়াড দেখলে মিনি হাসপাতাল ছাড়া কিচ্ছু মনে হবেনা। জাদেজা, অশ্বিন, হনুমা, বুমরাহ চোট নিয়ে বেরোলেন।
দুজন ডেবিউটান্ট, বোলিং লাইন আপে দুজন সিনিয়রের টেস্ট ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা হল মাত্র এক ম্যাচের।
অতি বড় পজিটিভ ক্রিকেট বিজ্ঞও ওই অবস্থায়, “জাস্ট গো ফর দ্য গেম” ছাড়া কিছু বলার কথা ভাবেননি বোধহয়। সেখানে ড্র নয়, বৃষ্টি ভেজা আন ইভেন বাউন্সের সামনে ট্রফি রিটেন নয়, জিতে আরো একবার বলতে বাধ্য করে – “ইন্ডিয়ান ক্রিকেট ইজ ইন সেফ হ্যান্ডস!”
নীরব পুজারার “স্লো” পুজারার কন্ট্রিবিউশান আর ক্যারেক্টর বদলে দেওয়া টিম লিডার, কুইন্সল্যান্ড বিতর্ক, টিম পেন আর গার্ড মার্ক মপারকে ভুললে ক্রিকেট দেবতার অভিশাপে মরা অবশ্যম্ভাবী!
অ্যান্ড ইনডিড, দিস ইজ দি মোস্ট এক্সাইটেড ফরম্যাট অফ দি গেম।